হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধের শেষ দিকে অস্বস্তি অনুভব করেন পাকুয়েতা। বিরতির পর মাঠে ফিরলেও তাকে স্বাভাবিকভাবে দৌড়াতে দেখা যায়নি। পরিস্থিতি বিবেচনায় ঝুঁকি না নিয়ে কোচ কার্লো আনচেলত্তি দ্রুত তাকে তুলে নেন। তার জায়গায় মাঠে নামেন তরুণ ফরোয়ার্ড এন্ড্রিক।
ম্যাচ শেষে বেঞ্চে বসে পাকুয়েতার পায়ে বরফের সেঁক দিতে দেখা যায়। তার মুখেও ছিল উদ্বেগের ছাপ, যা ব্রাজিল সমর্থকদের উৎকণ্ঠা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
অন্যদিকে ম্যাচে সমতাসূচক গোল করা কাসেমিরোও শেষ পর্যন্ত চোট এড়াতে পারেননি। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে কুঁচকিতে ব্যথা পেয়ে মাঠে লুটিয়ে পড়েন তিনি। প্রাথমিক চিকিৎসার পরও খেলা চালিয়ে যেতে না পারায় তাকে বদলি করা হয়। তার পরিবর্তে মাঠে নামেন ফ্যাবিনিও।
জার্মানি বাদ, ব্রাজিলই থাকছে একমাত্র পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন
যদিও ম্যাচ শেষে সতীর্থদের সঙ্গে জয় উদযাপনে কাসেমিরোকে হাসিখুশি দেখা গেছে, তবু তার চোটের প্রকৃতি নিয়ে এখনই নিশ্চয়তা দিচ্ছে না ব্রাজিল শিবির।
আগামী ৬ জুলাই (বাংলাদেশ সময় রাত ২টা) নিউইয়র্কের নিউজার্সি স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালে আইভরি কোস্ট অথবা নরওয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল। তবে সেই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাকুয়েতা ও কাসেমিরো খেলতে পারবেন কি না, তা নির্ভর করছে মেডিকেল পরীক্ষার ফলাফলের ওপর।
ব্রাজিলের মাঝমাঠে এই দুই অভিজ্ঞ ফুটবলারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের একজন বা দুজনই যদি ছিটকে যান, তাহলে নকআউট পর্বে কৌশলগত পরিবর্তন আনতে বাধ্য হবেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
বিশ্বকাপ জয়ের ষষ্ঠ শিরোপার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলা ব্রাজিলের জন্য তাই জাপানের বিপক্ষে জয় যতটা স্বস্তির, দুই মিডফিল্ডারের চোট ততটাই বাড়িয়ে দিয়েছে দুশ্চিন্তা। এখন পুরো নজর মেডিকেল রিপোর্টের দিকে।
Leave a Reply