1. ssexpressit@gmail.com : dainikbangla :
  2. smmonirul8045@gmail.com : SM Monirul Islam : SM Monirul Islam
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আশুলিয়ায় আওয়ামী লীগের আতাউর রহমান আতাল এখন বিএনপি নেতা সাভারে স্বৈরাচারের কোনো জায়গা হবে না: তাজ খান নাঈম সাভারে একলাল-নিতাইলাল স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর পাঞ্জাবি ছিঁড়ে ফেলার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল নেতা তমিজের ছাত্রদল প্রতিহত করলে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এক মিনিটও রাজপথে দাঁড়াতে পারবে না: তমিজ উদ্দিন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দোয়া ও সমর্থন চান তমিজ উদ্দিন ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ উপ-পরিদর্শক জাকির আল আহসান ডেঙ্গুতে আজও ৪ মৃত্যু ‘ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ নিতে পারে’-স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সাভারে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ৮ কর্মীকে আটক করেছে ডিবি সাভার পৌর শাখা জিয়া পরিষদের নব গঠিত কমিটির সভাপতি শহীদ,সাধারণ সম্পাদক তুহিন

মাজারের সেই কুমির ফেরত চেয়ে খাদেমের সংবাদ সম্মেলন

  • আপডেট সময় : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:বাগেরহাটের হযরত খানজাহান আলী (রহ)- এর মাজার-সংলগ্ন দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়া কুমিরটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) দুপুরে এ দাবিতে ‘বাগেরহাটের সর্বস্তরের জনসাধারণ’ ব্যানারে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন মাজারের প্রধান খাদেম ও বিএনপি নেতা ফকির তরিকুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে ফকির তরিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের পরিবার যুগ যুগ ধরে মাজার ও দিঘির দেখভাল করে আসছে। কিন্তু আমাদের সঙ্গে কথা না বলে, পুলিশ নিয়ে এসে এখান থেকে কুমিরটি নিয়ে যায়। কুমির এখানে বাগেরহাটের ইতিহাস, ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে আছে। এর আগেও চিকিৎসার জন্য মাজারের দিঘির দুটি কুমির নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, আর ফেরত দেওয়া হয়নি। আমাদের চাওয়া যেকোনও মূল্যে এখানে দিঘিতে কুমির ফেরত দিতে হবে। এজন্য প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপে যাবো।

সংবাদ সম্মেলনে মাজারের খাদেম, পরিচালনা কমিটির সদস্য, ব্যবসায়ীসহ অর্ধশতাধিক স্থানীয় বাসিন্দা উপস্থিত ছিলেন।

প্রায় সাড়ে ৬০০ বছর আগে হজরত খানজাহান আলী (রহ.) দিঘিটি খনন করেন বলে কথিত আছে। বলা হয়ে থাকে, সুপেয় পানির জন্য খনন করা দিঘিতে খানজাহান (রহ.) পানির সুরক্ষায় এখানে দুটি কুমির ছাড়েন, যা তিনি পালতেন। ওই কুমিরের সর্বশেষ বংশধরের মৃত্যু হয় ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে। এর আগেই ২০০৪ সালে ভারতের মাদ্রাজ ক্রোক্রোডাইল ব্যাংক থেকে আনা ছয়টি কুমির এ দিঘিতে ছাড়া হয়। কিন্তু এর দুটি মারা যায় এবং দুটি আহত হয়। সর্বশেষ দুটি কুমিরের একটি ২০২৩ সালের অক্টোবরে মারা যায়। এরপর দিঘিতে একমাত্র নারী কুমির ছিল। সম্প্রতি ওই কুমিরের কামড়ে একটি কুকুর ও এক শিশুর মৃত্যুর পর দেশজুড়ে আলোচনায় আসে মাজারের নিরাপত্তা ও মানুষের সুরক্ষার বিষয়টি। এর পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তার স্বার্থে কুমিরটি সরিয়ে নেয় প্রশাসন। কুমিরটি বর্তমানে খুলনার বন্য প্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে আছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :